1. jashimsarkar@gmail.com : admin :
  2. adminmonir@germanbangla24.com : monir uzzaman : monir uzzaman
  3. fatama.ruma007@gmail.com : Fatama Rahman Ruma : Fatama Rahman
  4. anikbd@germanbangla24.com : SIDDIQUE ANIK : ANIK SIDDIQUE
  5. infi@germanbangla24.com : Hasan Imam Juwel : Hasan Imam Juwel
  6. rafid@germanbangla24.com : rafid :
  7. SaminRahman@germanbangla24.com : Samin Rahman : Samin Rahman
শিরোনাম :
পদ্মায় ফেরিডুবি :পাটুরিয়ায় ডুবে গেছে শাহ আমানত ফেরি জার্মানিতে বিএনপি’র কর্মীসভা ‘বর্তমান সরকার উন্নয়নের সরকার’ : এমপি ছেলুন জোয়ার্দ্দার জার্মান বিএনপির হেছেন প্রাদেশিক কমিটির কর্মী সভা অনুষ্ঠিত জার্মানির মানহাইমে জমজমাট ঈদ পুনর্মিলনী ও গ্রিল পার্টি লেবাননে শাহ্জালাল প্রবাসী সংগঠনের দ্বশম বর্ষ পূর্তি উদযাপন ও সভাপতিকে বিদায়ী স্বংবর্ধনা করোনা টিকার প্রসঙ্গে ও করোনার তৃতীয় ঢেউ: মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া রাষ্ট্রদূত, জার্মানি বাংলাদেশ জার্মান জাতীয়তাবাদী কালচারাল অ্যাসোসিয়েশনের বনভোজন অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে সেপটি ট্যাংকের সেন্টারিং খুলতে গিয়ে নিহত ২ জামালপুরে ‘বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন’ এর মাক্স বিতরণ

কেন্দুয়ায় প্রয়াত হুুমায়ুন আহমেদ’র প্রতিষ্ঠিত বিদ্যাপীঠ অর্থভাবে, ‌দ্রুত এমপিওভুক্তির দাবি

জার্মানবাংলা২৪ রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময়: বৃহস্পতিবার, ১৯ জুলাই, ২০১৮
Check for details

নেত্রকোনা প্রতিনিধি: প্রত্যন্ত এলাকা নেত্রকোনার কেন্দুয়া কুতুবপুর নিজ গ্রামে মায়ের স্বপ্ন বাস্তবায়নে নন্দিত কথাসাহিত্যিক হুমায়ুন আহমেদ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন শহীদ স্মৃতি বিদ্যাপীঠ।।‌

শুধুমাত্র নেত্রকোনাই নয় পার্শ্ববর্তী জেলা কিশোরগঞ্জের নান্দাইল, ঈশ্বরগঞ্জ, তাড়াইল, আঠারবাড়ীসহ বিভিন্ন এলাকার ছেলেমেয়েরাও এখন এই স্কুলটিতে পড়াশুনা করছে। বর্তমানে প্রায় ৫৬ টি গ্রামের শিশুরাই এ বিদ্যাপীঠের সুফলভোগ করছে। কিন্তু স্কুলটি আজও এমপিওভুক্তি না হওয়ায় অর্থভাবে নানা সমস্যায় পড়তে হচ্ছে বলে জানিয়েছে স্কুলের শিক্ষক শিক্ষার্থীরা। তাই দ্রুত স্কুলটি সরকারী করণের দাবি জানিয়েছে শিক্ষক শিক্ষার্থীসহ স্থানীয়রা।

নন্দিত কথাসাহিত্যিক হুমাযূন আহমেদ ১৯৯৬ সালে কুতুবপুর গ্রামের পৈত্রিক ভিটার অদূরেই নিজস্ব ক্রয়কৃত ৩ একর জায়গায় শহীদ স্মৃতি বিদ্যাপিঠ স্কুলটির ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেছিলেন । পরবর্তীতে ২০০০ সালে অবকাঠামো নির্মান কাজ শেষ হলেও সরকারীকরণ নিয়ে দেখা দেয় নানা জটিলতা।

পরে ২০০৬ সাল থেকে হুমায়ুন আহমেদের নিজ উদ্যোগেই স্কুলটিতে পাঠদান কার্যক্রম চালু করা হয়। এর পর থেকে গত ১২ বছরে হাটি হাটি পা পা করে বিদ্যাপীঠে বর্তমানে প্রায় সাড়ে ৩শ শিক্ষার্থী ও ১৫ জন শিক্ষক দিয়ে চলছে স্কুলটির সকল কার্যক্রম।

স্থানীয় অভিভাবকসহ শিক্ষকরা বলছেন, প্রতিষ্ঠানটির ফলে শুধু যে ছেলেরাই শিক্ষিত হচ্ছে তা নয়; শিক্ষিত হচ্ছে এই প্রত্যন্ত গ্রামের মেয়ে শিক্ষার্থীরা। দিন দিন বেড়েই চলেছে এর সংখ্যা। যা এই প্রত্যন্ত এলাকার জন্য ছিল অকল্পনীয়। স্কুলটির চারপাশ খোলামেলা মনরোম পরিবেশে তৈরি বিদ্যাপিঠটির অবকাঠামো সৌন্দর্য্যও যেন চোখে পড়ার মতো। যে কেউ পরিদর্শনে এসে মুগ্ধ হতেই হয় এর নান্দনিতকায়।

বর্তমানে কোনরকমে খেয়ে না খেয়ে শিক্ষা দিয়ে যাচ্ছেন শিক্ষকরা। প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘদিনেও এমপিওভুক্তি না হওয়ায় বাইরে থেকে ভালো শিক্ষকও নিয়োগ দিতে পারছেন না তারা। ফলে ভালো রেজাল্ট থেকে বঞ্চিত হচ্ছে শিশুরা।

স্কুলটিতে সৃজনশীলতা ও শিক্ষার মান ভালো হওয়ায় পার্শবর্তী বিভিন্ন উপজেলা থেকে অধিক টাকা খরচ করে নিয়মিত স্কুলে আসছে শিক্ষার্থীরা।

এদিকে স্কুলের খরচ জোগাতেও হিমশিম খাচ্ছেন অনেক অভিভাবকরা। স্কুলটির শিক্ষার মান বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে অচিরেই প্রতিষ্ঠানটি এমপিওভুক্তির দাবি জানিয়েছেন স্কুলটির প্রধান শিক্ষক আসাদুজ্জামানসহ অন্যান্য শিক্ষরা।

এদিকে বিদ্যালয়টি অচিরেই এমপিওভুক্ত করতে সরকারিভাবে পদক্ষেপ নেয়া হবে বলে আশাবাদী স্কুল পরিচালনা কমিটির সভাপতি অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওন।

জননন্দিত কথা সাহিত্যিক হুমায়ুন আহমেদের হাতে গড়া স্কুলটি এমপিওভুক্ত করে প্রত্যন্ত এলাকার শিক্ষার্থীদের পাঠদান নিশ্চিত করতে অচিরেই ব্যবস্থা নিবে সরকার এমন প্রত্যাশাই করছেন শিক্ষক শিক্ষার্থীসহ স্থানীয়রা।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

ফেসবুকে জার্মানবাংলা২৪

বিজ্ঞাপন

Check for details