1. jashimsarkar@gmail.com : admin :
  2. adminmonir@germanbangla24.com : monir uzzaman : monir uzzaman
  3. fatama.ruma007@gmail.com : Fatama Rahman Ruma : Fatama Rahman
  4. anikbd@germanbangla24.com : germanbangla24.com : germanbangla24.com
  5. infi@germanbangla24.com : Hasan Imam Juwel : Hasan Imam Juwel
  6. rafid@germanbangla24.com : rafid :
  7. SaminRahman@germanbangla24.com : Samin Rahman : Samin Rahman
শিরোনাম :
জার্মানবাংলা’র ‘মিউজিক্যাল লাইভ শো’র এবারের অতিথি কণ্ঠশিল্পী ”মঞ্জু সাহা” জার্মানবাংলা’র ”প্রবাসির সাফল্য” শো’র এবারের অতিথি ”মিনহাজ দীপন” জার্মানবাংলা’র ‘মিউজিক্যাল লাইভ শো’র এবারের অতিথি কণ্ঠশিল্পী ”ফারজাহান রহমান শাওন” বাগেরহাটে ৭ দিনব্যাপী বই মেলা শুরু জার্মানবাংলা’র ‘মিউজিক্যাল লাইভ শো’র এবারের অতিথি, বাচিকশিল্পী “জান্নাতুল ফেরদৌসী লিজা” টিকার দ্বিতীয় ডোজ ৮ সপ্তাহ পর : স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ১৪ ফেব্রুয়ারি, উপেক্ষিত ‘সুন্দরবন দিবস’ জীবননগর পৌর নির্বাচন : আচরণবিধি লঙ্ঘন ,৩ জনের সাজা জার্মানবাংলা’র ‘মিউজিক্যাল লাইভ শো’র এবারের অতিথি শিল্পী ”বিথী পান্ডে” বাগেরহাটে ওরিয়ন গ্রুপের বিরুদ্ধে গ্রাম্য সড়ক দখলের অভিযোগ

কাঁচামাল সংকটে পোশাক শিল্পে অচলাবস্থার আশঙ্কা

জার্মানবাংলা২৪ রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময়: বৃহস্পতিবার, ৩ মে, ২০১৮
Check for details
বিদেশ থেকে চট্টগ্রাম বন্দরে আসা কাঁচামাল খালাসে বিলম্ব এবং জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে। ফ্রি অব কস্টে (এফওসি) আসা পণ্যের নথিপত্র যাচাই-বাছাইয়ের নামে চট্টগ্রাম কাস্টমস কর্তৃপক্ষ সময়ক্ষেপণ করছে। এতে দেশের রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাকশিল্পে অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। চট্টগ্রাম কাস্টমস কমিশনার একেএম নুরুজ্জামানকে বিজিএমইএ এবং চট্টগ্রাম চেম্বারের পক্ষ থেকে একাধিকবার অবহিত করা হলেও সমাধান দিতে পারেননি তিনি। এতে দিন দিন চট্টগ্রাম বন্দরে দীর্ঘ হচ্ছে কাঁচামাল নিয়ে আসা কনটেইনারের সারি।

বিজিএমইএ সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে পোশাকশিল্পের আমদানিকৃত কাঁচামালের ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ নো-কস্ট বেসিসে আমদানি হচ্ছে। ভিয়েতনামসহ বিশ্বের অন্যান্য দেশে অনেক আগে থেকেই এ সুবিধা চালু হলেও ২০০২ সাল থেকে চালু হয় বাংলাদেশে। ২০০৩ সালে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প উদ্যোক্তারা এ সুবিধা নিয়ে নিয়মিত রপ্তানি আয় করলেও ৩ মাস আগে থেকে জটিলতা শুরু হয়। চলতি মাসের শুরুর দিকে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করে। জানা গেছে, ১০ এপ্রিল থেকে গতকাল সোমবার পর্যন্ত এফওসির কাঁচামাল নিয়ে আসা ৫২৭ চালানের বিপরীতে বিল অব এন্ট্রি (পণ্য খালাসের নথি) দাখিল হয়েছে। এর মধ্যে কেবল ১৬৭টি চালানের শুল্কায়ন সম্পন্ন করেছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। আরও ৩৬০ চালানের খালাস প্রক্রিয়া ঝুলে রয়েছে। ফলে কাঁচামাল সংকটে উৎপাদনে যেতে পারছে না সংশ্লিষ্ট কারখানা। এতে অনেক প্রতিষ্ঠানকে অর্ডার বাতিলের হুমকি দিয়েছে বিদেশি ক্রেতারা। বিজিএমইএ সূত্রে জানা গেছে, এফওসির আওতায় আনা কাঁচামাল খালাসে বিজিএমইএ থেকে আরও ১ হাজার ৮০০ চালানের প্রত্যয়নপত্র নিয়েছে। তারা দ্রুত সময়ে কাঁচামাল না পেলে অবস্থা আরও জটিল হবে। বাতিল হতে পারে অর্ডার। চট্টগ্রাম চেম্বার সভাপতি মাহবুবুল আলম বলেন, এফওসির চালান খালাসে জটিলতা তৈরি হওয়ায় অনেক পোশাক কারখানা বন্ধের উপক্রম। এ বিষয়ে আমরা কাস্টমস কমিশনারকে চিঠি দিয়েছি। দ্রুত এর সমাধান প্রয়োজন। এয়ার পণ্য পাঠাতে হলে রমজানে শ্রমিকদের বেতন বোনাস দিতে পারবে না। বিজিএমইএর পরিচালক মাহবুব চৌধুরী বলেন, ২০০২ সাল থেকে চালু হওয়া এফওসিতে অনেক বড় প্রতিষ্ঠানও অব্যস্ত হয়ে গেছে। এখন কাঁচামাল খালাস নিতে না পারায় অর্ডার বাতিলের উপক্রম হয়েছে। তিনি বলেন, লিড টাইম চলে গেলে বিদেশি ক্রেতারা পণ্য নেবে না। এতে রপ্তানি ও জিডিপি অর্জন ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এ দুটি ক্ষতিগ্রস্ত হলে মধ্যম আয়ের দেশে যাওয়ার স্বপ্ন বাধাগ্রস্ত হবে। জানা গেছে, চট্টগ্রাম চেম্বার, বিজিএমইএ, বিকেএমইএ চট্টগ্রাম চেম্বার কমিশনারের সঙ্গে একাধিকবার বৈঠক করেছে। কিন্তু এরপরও ভোগান্তি কমছে না। দিন দিন কাঁচামাল চালান নিয়ে আসা কনটেইনারের সারি দীর্ঘ হচ্ছে। তাই আজ জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে বৈঠকে বসবেন বিজিএমইএ নেতারা। সেখানে সমাধান না হলে বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে এর সমাধান চাইবেন ব্যবসায়ীরা। মাহবুব চৌধুরী জানিয়েছেন, লিড টাইম (রপ্তানির জন্য বেঁধে দেওয়া সময়) চলে যাওয়ায় অনেক ক্রেতা অর্ডার বাতিল করেছেন। আবার ক্রেতাকে সন্তুষ্ট রাখতে অনেকেই এয়ারফ্রেইট করতে বাধ্য হয়েছে। যারা এয়ারে পণ্য পাঠিয়েছেন তারা আগামী রমজানে শ্রমিকদের বেতনভাতা দিতে পারবেন কিনা তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। বেতনভাতা দিতে না পারলে শ্রম অসন্তোষ তৈরি হতে পারে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, চট্টগ্রাম বন্দরের যন্ত্রপাতি স্বল্পতাসহ অবকাঠামোগত সমস্যার কারণে পণ্য চালান খালাসে সময়ক্ষেপণ হচ্ছে। এই অবস্থায় আসন্ন রমজান ও বাজেটকে সামনে রেখে বিপুল বাণিজ্যিক পণ্য ও খাদ্যশস্য আমদানি হচ্ছে। এমনিতেই বন্দর জেটিতে ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত কনটেইনার অবস্থান করছে। ফলে পণ্য চালানগুলো দ্রুত খালাসের ব্যবস্থা না নিলে বন্দরে কনটেইনার ও জাহাজজটের সৃষ্টি হবে। কাস্টমস কমিশনার বলেন, আমরা পণ্য খালাস দেওয়ার জন্য সব সময় প্রস্তুত। কিন্তু যাচাই-বাছাই করে খালাস দিতে হবে। কারণ এ ধরনের পণ্যের অপব্যবহার হচ্ছে বলে আমাদের কাছে তথ্য রয়েছে। তিনি বলেন, অনেকে সঠিক সময়ে বিল অব এন্ট্রি দাখিল করে না। তারা কখন রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে খালাস নিতে পারবেন সে অপেক্ষায় থাকেন। নথিপত্র ঠিক থাকলে আমরা অবশ্যই যত দ্রুত সম্ভব পণ্য খালাসের অনুমতি দেব। বিজিএমইএ জানায়, ঢাকা-চট্টগ্রামে প্রায় ২০০ প্রতিষ্ঠান নিয়মিত ফ্রি অব কস্ট ভিত্তিতে কাঁচামাল আমদানি করে। চট্টগ্রাম কাস্টমসে সৃষ্ট জটিলতায় পণ্য খালাসে বিঘœ ঘটার কারণে বিদেশে নির্দিষ্ট সময়ে রপ্তানি করতে না পারলে স্টকলট করতে হবে। এতে বিপুল আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হওয়ার পাশাপাশি ক্রেতার সঙ্গে সম্পর্ক নষ্ট হবে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের আদেশ ও আমদানি নীতি আদেশ অনুযায়ী বিগত বছরের রপ্তানির পারফরমেন্সের ওপর ভিত্তি করে চলমান বছরের ৪ মাসের প্রয়োজনীয় কাঁচামাল আমদানি করতে পারবে। রিভলভিং পদ্ধতিতেও আমদানির সুযোগ রয়েছে। কিন্তু কাস্টমস কর্তৃপক্ষ ৪ মাসের প্রাপ্যতার অধিক আমদানিতে বিঘœ সৃষ্টি করেছে। অথচ তাদের স্পষ্ট কোনো ব্যাখ্যা নেই। কাস্টমসে শুল্কায়ন জটিলতায় এফওসি মালামাল খালাসে বিঘœ সৃষ্টির কারণে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।
শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

ফেসবুকে জার্মানবাংলা২৪

বিজ্ঞাপন

Check for details