1. jashimsarkar@gmail.com : admin :
  2. adminmonir@germanbangla24.com : monir uzzaman : monir uzzaman
  3. fatama.ruma007@gmail.com : Fatama Rahman Ruma : Fatama Rahman
  4. anikbd@germanbangla24.com : SIDDIQUE ANIK : ANIK SIDDIQUE
  5. infi@germanbangla24.com : Hasan Imam Juwel : Hasan Imam Juwel
  6. rafid@germanbangla24.com : rafid :
  7. SaminRahman@germanbangla24.com : Samin Rahman : Samin Rahman
শিরোনাম :
জার্মান বিএনপির হেছেন প্রাদেশিক কমিটির কর্মী সভা অনুষ্ঠিত জার্মানির মানহাইমে জমজমাট ঈদ পুনর্মিলনী ও গ্রিল পার্টি লেবাননে শাহ্জালাল প্রবাসী সংগঠনের দ্বশম বর্ষ পূর্তি উদযাপন ও সভাপতিকে বিদায়ী স্বংবর্ধনা করোনা টিকার প্রসঙ্গে ও করোনার তৃতীয় ঢেউ: মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া রাষ্ট্রদূত, জার্মানি বাংলাদেশ জার্মান জাতীয়তাবাদী কালচারাল অ্যাসোসিয়েশনের বনভোজন অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে সেপটি ট্যাংকের সেন্টারিং খুলতে গিয়ে নিহত ২ জামালপুরে ‘বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন’ এর মাক্স বিতরণ করোনা : সখীপুরে লকডাউন বিধিনিষেধ অমান্য করায় জরিমানা করোনা : সাতক্ষীরা পুলিশের মোটরসাইকেল র‌্যালি ও মাস্ক বিতরণ লেবানন বিএনপির সভাপতি বাবু, সম্পাদক আইমান, সাংগঠনিক হাবিব

করোনা : ভারতে শনাক্ত ২ কোটি ছাড়াল

জার্মান-বাংলা২৪ অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশের সময়: মঙ্গলবার, ৪ মে, ২০২১
Check for details

ভারতে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ গত ফেব্রুয়ারি মাসের শুরুর দিকে আরম্ভ হয়।গত মার্চের মাঝামাঝিতেও ভারতে এক দিনে শনাক্ত করোনা রোগীর সংখ্যা ছিল ২০ হাজারের কাছাকাছি। তারপর দেশটিতে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়তে থাকে সংক্রমণ।

ভারতে করোনায় সংক্রমিত শনাক্ত রোগীর মোট সংখ্যা দুই কোটি ছাড়িয়েছে। আজ মঙ্গলবার দ্য হিন্দু পত্রিকার অনলাইনের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

স্থানীয় সময় গতকাল সোমবার রাত সাড়ে ১১টা পর্যন্ত ভারতে এক দিনে ৩ লাখ ৫৫ হাজার ৮৩৬ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়। গত রোববার রাত সাড়ে ১১টা পর্যন্ত এক দিনে শনাক্ত হয় ৩ লাখ ৬৯ হাজার ৯৫৭ জন করোনা রোগী। গত শনিবার শনাক্ত হয় ৩ লাখ ৯২ হাজারের বেশি করোনা রোগী। গত শুক্রবার ৪ লাখ ১ হাজার ৯৯৩ জনের করোনা শনাক্ত হয়।

স্থানীয় সময় গতকাল রাত সাড়ে ১১টা পর্যন্ত ভারতে এক দিনে ৩ হাজার ৪৩৪ জন করোনায় মারা যান। রোববার রাত সাড়ে ১১টা পর্যন্ত এক দিনে ৩ হাজার ৪৫৫ জন মারা যান। শনিবার মারা যান ৩ হাজার ৬৮৯ জন, যা দেশটিতে এক দিনে সর্বোচ্চ মৃত্যুর ঘটনা।

সবশেষ তথ্য অনুযায়ী, ভারতে করোনায় সংক্রমিত মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ কোটি ২ লাখ ৭৫ হাজার ৬৯৯। মোট প্রাণহানি দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ২২ হাজার ৩৮১ জন।

গত মার্চের মাঝামাঝিতেও ভারতে এক দিনে শনাক্ত করোনা রোগীর সংখ্যা ছিল ২০ হাজারের কাছাকাছি। তারপর দেশটিতে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়তে থাকে সংক্রমণ।

গত ৩০ এপ্রিল ভারতে প্রথম এক দিনে চার লাখের বেশি মানুষের করোনা সংক্রমণ ধরা পড়ে। তার আগে টানা নয় দিন ধরে দৈনিক শনাক্তের সংখ্যা ছিল তিন লাখের বেশি। তারও আগে ১৫ এপ্রিল থেকে দেশটিতে প্রতিদিন দুই লাখের বেশি করোনা রোগী শনাক্ত হচ্ছিল। আর টানা এক সপ্তাহ ধরে ভারতে দুই হাজারের বেশি মানুষ করোনায় মারা যাওয়ার পর গত ২৭ এপ্রিল থেকে দৈনিক মৃত্যু তিন হাজারের ওপরে ওঠে। গত কয়েক দিন ধরে দেশটিতে গড়ে সাড়ে তিন হাজারের মতো মানুষ করোনায় মারা যাচ্ছে।

বিশ্বের কোনো দেশে এক দিনে সর্বোচ্চসংখ্যক করোনা রোগী শনাক্তের রেকর্ড এখন ভারতের দখলে। গত ২২ এপ্রিলের আগপর্যন্ত এই রেকর্ড যুক্তরাষ্ট্রের দখলে ছিল। যুক্তরাষ্ট্রে গত জানুয়ারিতে এক দিনে সর্বোচ্চ ২ লাখ ৯৭ হাজার ৪৩০ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছিল।

ওয়ার্ল্ডোমিটারস শুরু থেকেই বিশ্বের বিভিন্ন দেশের করোনাবিষয়ক হালনাগাদ তথ্য দিয়ে আসছে। ওয়ার্ল্ডোমিটারসের সবশেষ তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বে এখন পর্যন্ত করোনায় সংক্রমিত শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ১৫ কোটি ৪১ লাখ ৭৮ হাজার ২৪৮। বিশ্বে করোনায় মোট মারা গেছেন ৩২ লাখ ২৬ হাজার ৮৭৫ জন।

ওয়ার্ল্ডোমিটারসের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বে করোনায় সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দেশ যুক্তরাষ্ট্র। দেশটিতে এখন পর্যন্ত ৩ কোটি ৩২ লাখ ৩০ হাজার ৫৬১ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। মোট মারা গেছেন ৫ লাখ ৯১ হাজার ৫১৪ জন।

সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দেশের তালিকায় যুক্তরাষ্ট্রের পরেই রয়েছে ভারত। ভারতের পর রয়েছে ব্রাজিল। সম্প্রতি সংক্রমণের দিক দিয়ে ব্রাজিলকে টপকে দ্বিতীয় অবস্থানে উঠে আসে ভারত। ব্রাজিলে এখন পর্যন্ত ১ কোটি ৪৭ লাখ ৯১ হাজার ৪৩৪ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। মারা গেছেন ৪ লাখ ৮ হাজার ৮২৯ জন।

ভারতে করোনার সংক্রমণ সবচেয়ে বেশি মহারাষ্ট্রে। তারপর রয়েছে কেরালা, কর্ণাটক, উত্তর প্রদেশ, তামিলনাড়ু, দিল্লি, অন্ধ্র প্রদেশ ও পশ্চিমবঙ্গ। ছত্তিশগড়, রাজস্থান, গুজরাট, মধ্যপ্রদেশ ও হরিয়ানার পরিস্থিতিও উদ্বেগজনক।

গতকাল স্থানীয় সময় রাত সাড়ে ১১টা পর্যন্ত মহারাষ্ট্রে ৪৮ হাজার ৬২১ জনের করোনা শনাক্ত হয়। কেরালায় ৪৪ হাজার ৪৩৮ জন। উত্তর প্রদেশে ২৯ হাজার ১৯২ জন।

ভারতে সংক্রমণের ‘বিস্ফোরণের’ জন্য করোনার ভারতীয় ধরনকে অনেকাংশে দায়ী করা হচ্ছে। করোনার দ্বিতীয় ঢেউ মারাত্মক আকার ধারণ করতে পারে—এমন আশঙ্কার কথা বিজ্ঞানীরা আগে জানালেও তাতে গুরুত্ব না দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে মোদি সরকারের বিরুদ্ধে।

করোনা পরিস্থিতির মারাত্মক অবনতির মুখে ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। পাশাপাশি টিকাদান কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। ১ মে থেকে সব প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিককে (১৮ বছরের ঊর্ধ্বে) টিকাদানের কর্মসূচি হাতে নিয়েছে ভারত। তবে বিভিন্ন রাজ্যের কর্তৃপক্ষ টিকার সংকটের কথা জানাচ্ছে।

ভারতে করোনার সংক্রমণ ভয়াবহ আকার ধারণ করায় দেশটি তার সাম্প্রতিক ইতিহাসে সবচেয়ে বড় স্বাস্থ্যগত চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। অক্সিজেন, জরুরি ওষুধ, হাসপাতালে শয্যার অভাবসহ নানা গুরুতর সংকটে দেশটির স্বাস্থ্যব্যবস্থা ভেঙে পড়ার উপক্রম।

দেশটিতে করোনা রোগীর সংখ্যা ব্যাপকভাবে বাড়তে থাকায় চাপ সামাল দিতে হাসপাতালগুলো হিমশিম খাচ্ছে। হাসপাতালে পাওয়া যাচ্ছে না শয্যা। অনেকের অবস্থা গুরুতর হলেও হাসপাতালে ভর্তির সুযোগ পাচ্ছেন না। ঘরে রেখে তাঁদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। হাসপাতালে অক্সিজেনের অভাবে রোগীদের মৃত্যুর খবর আসছে প্রায় প্রতিদিনই। বিদেশ ও দেশের অন্য এলাকা থেকে অক্সিজেন এনে পরিস্থিতি মোকাবিলার চেষ্টা চালানো হচ্ছে।

এমন পরিস্থিতিতে ভারতের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ। ভারতের করোনা সংকটে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি, সৌদি আরব, ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ বেশ কয়েকটি দেশ ও সংস্থা জরুরি চিকিৎসাসহায়তার ঘোষণা দিয়েছে। বিদেশি সহায়তা ভারতে পৌঁছাচ্ছে।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

ফেসবুকে জার্মানবাংলা২৪

বিজ্ঞাপন

Check for details