1. jashimsarkar@gmail.com : admin :
  2. fatama.ruma007@gmail.com : Fatama Rahman Ruma : Fatama Rahman Ruma
  3. anikbd@germanbangla24.com : Editor : Editor
  4. rafid@germanbangla24.com : rafid :
  5. SaminRahman@germanbangla24.com : Samin Rahman : Samin Rahman

করোনায় বেনাপোলে আমদানি রফতানি বন্ধ , বেকার কয়েক হাজার শ্রমিক

যশোর জেলা (বাংলাদেশ) প্রতিনিধি:
  • প্রকাশের সময়: বুধবার, ১ এপ্রিল, ২০২০
Check for details

বিশ্বব্যাপী করোনা ভাইরাস এর ভয়াবহ রুপ ধারন করায় বেনাপোল-পেট্রাপোল বন্দরের আমদানি রফতানি বানিজ্য বন্ধ থাকার কারনে দেশের বৃহত্তম স্থল বন্দর বেনাপোল স্থবির হয়ে পড়েছে । বেকার হয়ে পড়েছে কয়েক হাজার শ্রমিক।

এছাড়া ও বন্দর ও কাস্টমস সংশ্লিষ্ট কয়েকশত এনজিও কর্মীরাও একই অবস্থায় পড়েছে। এই বন্দর দিয়ে ভারতের সাথে আমদানি রফতানি বানিজ্যর সিংহ ভাগ পন্য আসে।

গত ২৪ মার্চ থেকে বৃহত্তর বন্দর দিয়ে আমদানি রফতানি বানিজ্য বন্ধ হওয়ায় বিপাকে পড়েছে বন্দর সংশ্লিষ্ট শ্রমিকসহ সাধারন মানুষ।

বিশ্বব্যাপী করোনা ভাইরাস এর ভয়াবহ রুপ ধারন করায় বেনাপোল-পেট্রাপোল বন্দরের আমদানি রফতানি বানিজ্য বন্ধ হয়ে যায়। একদিকে সাধারন মানুষ যেমন বিপাকে পড়েছে তেমনি অর্থনৈতিক ভাবে ও ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে সরকার।

প্রতিদিন সরকার বেনাপোল বন্দর থেকে কমপক্ষে ২০ কোটি টাকা রাজস্ব আদায় করে। এপথে ভারত থেকে প্রতিদিন ৩ থেকে ৪ শত গাড়ী আমদানি পন্য নিয়ে প্রবেশ করে।

অপরদিকে বাংলাদেশ থেকে ভারতে প্রায় ১ থেকে ২ শত রফতানি পণ্যবাহী গাড়ি যায়। যোগাযোগ ব্যবস্থা ভারতের সাথে বেনাপোলের সুবিধাজনক এর কারনে এপথে আমদানি রফতানি বানিজ্য বেশী হয়ে থাকে।

করোনা ভাইরাসের কারনে সরকারের রাজস্ব আদয়ের ধ্বস নেমে যায়। আর এরই পাশাপাশি সব থেকে বেশী অসুবিধায় পড়ে এই অঞ্চলের বন্দর সংশ্লিষ্ট লোকজন। এই বন্দরে প্রায় ২ হাজার শ্রমিক কাজ করে।

এছাড়া কাস্টমস ও বন্দর অফিসে অনেক এনজিও কর্মীও কাজ করে। বেনাপোল বন্দরের কয়েকজন এনজিও কর্মী বলেন,তারা সারাদিন কাজ করে যা পায় তাই দিয়ে পরিবার পরিজন নিয়ে চলে।

বেনাপোল হ্যান্ডলিং শ্রমিক সজিব হাসান বলেন, আমরা এখানে কাজ করে যে টাকা পাই, তাতে ভাল ভাবে চলে যায় সংসার।

সম্প্রতি করোনা ভাইরাসের কারনে সকল প্রকার লোড আনলোড বন্ধ হয়ে যাওয়ায় আমরা শ্রমিকসহ সকলে পড়েছি অসুবিধায়।

বেনাপোল বন্দরের আমদানি কারক ঢাকার ফ্যাশান ট্রেডার্সের মালিক রবিউল ইসলাম বলেন, করোনা ভাইরাসের কারনে দেশে লক ডাউন চলায় শিল্পকলকারখানার উৎপাদন যেমন ব্যাহত হচ্ছে; তেমনি এসব শ্লিল্প কারখানার শ্রমিকরা ও বসে বসে দিন কাটাচ্ছে। ফলে লোকসানে পড়েছে মালিকরা ।
সিএন্ডএফ ব্যবসায়ি আমির হোসেন বলেন, করোনা ভাইরাসের কারনে আমদানি পণ্যবাহী হাজার হাজার গাড়ি বেনাপোলের ওপারে আটকে আছে। আর বেশী অসুবিধা হচ্ছে পচনশীল পন্যে।

এপথে পিঁয়াজ মাছ, পান সহ অনেক পচনশীল পণ্য আমদানি হওয়ায় অনেক পণ্য আটকে আছে ।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

ফেসবুকে জার্মানবাংলা২৪

বিজ্ঞাপন

Check for details