এমপিওভুক্ত হতে পারে তিন হাজার প্রতিষ্ঠান: শিক্ষামন্ত্রী

Check for details

জার্মান-বাংলা ডেস্ক:
স্বাধীনতা পরবর্তী সময় থেকে শিক্ষা খাতে বাজেট বরাদ্দ উল্লেখযোগ্য হলেও বাংলাদেশের এখনো বহু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ জাতীয়করণের বাইরে। কিন্তু জাতীয় করনের আগে এমন অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে যা আজও এমপিওভুক্ত করা হয়নি। তাই এমপিওভুক্ত করার উদ্যোগ সরকার গ্রহণ করেছে যা শিক্ষামন্ত্রীর বক্তব্যে প্রকাশ পেল।

সর্বশেষ ২০১০ সালে ১ হাজার ৬২৪টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করা হয়েছিল। এরপর আবারো বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করা হচ্ছে। তবে এবার আগেরবারের চেয়ে বেশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করা হবে। সংসদে এসব তথ্য জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

তিনি বলেন, দীর্ঘ দিন ধরেই আমাদের সংসদ সদস্যরা এমপিও নিয়ে সংসদে কথা বলছেন। সরকারের গত মেয়াদে আমিও বলেছি। বিষয়টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এর আগে সর্বশেষ বার সরকার ১ হাজার ৬২৪টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করেছিল। এবার আরো অনেক বেশি প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত হবে।

তিনি আরো বলেন, বাজেট প্রাপ্তি অনুযায়ী এমপিওভুক্ত করা হবে। তবে সেই সংখ্যা কোনোভাবেই ৩ হাজার অতিক্রম করবে না। তিন হাজারের আশেপাশে হতে পারে।

বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি ও সদস্য নির্বাচনে নূন্যতম শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে সম্প্রতি আলোচনা হয়। কমিটির একটি অংশ চেয়েছিল পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ও সদস্যদের ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকা উচিত। অন্যদিকে আরেকটি অংশ চাচ্ছেন, যেখানে একজন সংসদ সদস্য নির্বাচিত হতে শিক্ষা যোগ্যতা লাগে না সেখানে পর্ষদের সভাপতি ও সদস্যদের শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণের প্রয়োজন নেই।

এ নিয়ে স্থায়ী কমিটিতে বিতর্ক হয় বলে গণমাধ্যমে খবর বেরিয়েছিল। তবে মঙ্গলবার এ বিষয়ে সংসদে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেন, স্থায়ী কমিটিতে বিষয়টি আলোচনা হয়েছে সত্যি। তবে শিক্ষাগত যোগ্যতা প্রয়োজন নেই এমন কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। প্রাণবন্ত আলোচনা হয়েছে। ম্যানেজিং কমিটি কি হলে আরো ভালো হতে পারে, কিভাবে বিদ্যালয় মান উন্নয়ন করা যায় সেই বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। আলোচনা আরো হবে। এক সময় গিয়ে আমরা সিদ্ধান্ত নেব।

Facebook Comments