1. jashimsarkar@gmail.com : admin :
  2. fatama.ruma007@gmail.com : Fatama Rahman Ruma : Fatama Rahman Ruma
  3. anikbd@germanbangla24.com : Editor : Editor
  4. rafid@germanbangla24.com : rafid :
  5. SaminRahman@germanbangla24.com : Samin Rahman : Samin Rahman
শিরোনাম :
অনেকেই সঞ্চয় ভেঙে চলছে : ওবায়দুল কাদের জিয়ান ক্যাস্টিক্স ফ্রান্সের নতুন প্রধানমন্ত্রী নিরাপত্তা পরিস্থিতি দেখতে আচমকা লাদাখ সফরে নরেন্দ্র মোদী ‘ করোনার প্রভাব কমলেই টাইগারদের অনুশীলন শুরু হবে ’ মুগদা জেনারেল হাসপাতালে সাংবাদিকদের ওপর আনসার বাহিনীর হামলা করোনা : গত ২৪ ঘন্টায় নতুন শনাক্ত ৩১৪৪ , মৃত ৪২ প্রতারণার মাধ্যমে টাকা হাতিয়ে নেওয়া চক্রের তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে সিআইডি হয়রানির প্রতিবাদে অবস্থান কর্মসূচি পালন ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক চিকিৎসকদের বাংলাদেশে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ রেকর্ড ৩৬.০১৬ বিলিয়ন ডলার রাজাপুরে স্কুলের সম্পত্তি রক্ষায় মতামত সংগ্রহ ও গণস্বাক্ষর কর্মসূচি

এক পা দিয়ে লিখে জিপিএ ৩.৫৬

জার্মানবাংলা২৪ রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময়: সোমবার, ৬ মে, ২০১৯
Check for details

এইচ এম আলমগীর কবির, সিরাজগঞ্জ:দুটি হাত ও একটি পা নেই, এক পা দিয়ে লাফিয়ে লাফিয়ে ৩ কি:মি রাস্তা পাড়ি দিয়ে চালিয়ে যাচ্ছে লেখাপড়া। সেই প্রতিবন্ধী ফজলু এবার এসএসসি পরিক্ষায় ৩.৫৬ পয়েন্ট পাশ করেছে। জন্মগতভাবে দুটি হাত ও একটি পা নেই সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলার ফজলুর রহমানের। প্রবল ইচ্ছা শক্তি দিয়ে শারীরিক প্রতিবন্ধকতাকে হার মানিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। সে পিএসসিতে ২.১৭ ও জেএসসিতে ৩.৭৫ নাম্বার পায়।বে

লকুচি উপজেলার ধুকুরিয়াবেড়া ইউনিয়নের মিটুয়ানী উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র ও চর গোপালপুর গ্রামের সাহেব আলীর ছেলে।

ফজলুরের সাথে কথা বলতেই তার দুই চোখের পানিতে ভিজে যায়। বলেন আমি যখন স্কুলে যাই অনেক কষ্ট হয় প্রতিদিন যাওয়া আসা ৩ কি মি রাস্তা। ১ পায়ে লাফিয়ে লাফিয়ে স্কুলে যাই। আর আমার বোন যেদিন স্কুলে যায় না সেদিন আর কেউ আমার বই নেয় না আমার স্কুলে যাওয়া হয় না। আবার বৃষ্টি হলে স্কুলে যেতে পারি না। আমার প্রায় সব কাজ মা করে দেন। তবে আমাকে যদি সবাই লেখাপড়া করার জন্য সাহায্য করে তাইলে আমি লেখাপড়া শেষ করে প্রতিবন্ধীদের জন্য কাজ করবো।

ফজলুর বাবা সাহেব আলী বলেন, প্রতিবন্ধী ছেলের রেজাল্ট শুনে মনটা ভরে গেছে। অভাব অনটনের সংসার যা রোজগার করি তা দিয়ে সংসার চালেই হিমশিম খাই। ফজলুর লেখাপড়া ভাল করলেও আমার টাকা না থাকা ওকে অনেক বই কিনে দিতে পারি না। ফজলুরের প্রতিবন্ধী কার্ড আছে ওখান থেকে কিছু হলেও লেখাপড়া করার কাজে লাগে।

মা সারা খাতুন প্রতিবন্ধী ছেলের বর্ননা দিয়ে বলেন, ২০০০ সালের ফজলু বিকলাঙ্গ অবস্থায় জন্ম নেয়। আমরা স্বামী-স্ত্রী কেউ লেখাপড়া জানি না। ছোট মেয়ে আসমা ফজলুকে লেখাপড়া করায়। ফজলুর দুহাত ও এক পা না থাকলেও কিছু কিছু কাজ নিজেই করতে পারে বলে জানান তিনি।

মিটুয়ানী উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক (কৃষি) আইয়ুব আলী জানান, ফজলুর রেজাল্ট পেয়ে আমরাও খুশি। তিনি বলেন, ২০১৪ সালে ফজলু এই বিদ্যালয়ে ভর্তি হয়। সে লেখাপড়ায় ভালো, স্মরণশক্তিও প্রখর। তারা দুই ভাইবোন আমাদের স্কুলেই লেখাপড়া করে

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

ফেসবুকে জার্মানবাংলা২৪

বিজ্ঞাপন

Check for details