1. jashimsarkar@gmail.com : admin :
  2. adminmonir@germanbangla24.com : monir uzzaman : monir uzzaman
  3. fatama.ruma007@gmail.com : Fatama Rahman Ruma : Fatama Rahman
  4. anikbd@germanbangla24.com : SIDDIQUE ANIK : ANIK SIDDIQUE
  5. infi@germanbangla24.com : Hasan Imam Juwel : Hasan Imam Juwel
  6. rafid@germanbangla24.com : rafid :
  7. SaminRahman@germanbangla24.com : Samin Rahman : Samin Rahman
শিরোনাম :
জার্মান বিএনপির হেছেন প্রাদেশিক কমিটির কর্মী সভা অনুষ্ঠিত জার্মানির মানহাইমে জমজমাট ঈদ পুনর্মিলনী ও গ্রিল পার্টি লেবাননে শাহ্জালাল প্রবাসী সংগঠনের দ্বশম বর্ষ পূর্তি উদযাপন ও সভাপতিকে বিদায়ী স্বংবর্ধনা করোনা টিকার প্রসঙ্গে ও করোনার তৃতীয় ঢেউ: মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া রাষ্ট্রদূত, জার্মানি বাংলাদেশ জার্মান জাতীয়তাবাদী কালচারাল অ্যাসোসিয়েশনের বনভোজন অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে সেপটি ট্যাংকের সেন্টারিং খুলতে গিয়ে নিহত ২ জামালপুরে ‘বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন’ এর মাক্স বিতরণ করোনা : সখীপুরে লকডাউন বিধিনিষেধ অমান্য করায় জরিমানা করোনা : সাতক্ষীরা পুলিশের মোটরসাইকেল র‌্যালি ও মাস্ক বিতরণ লেবানন বিএনপির সভাপতি বাবু, সম্পাদক আইমান, সাংগঠনিক হাবিব

উচ্চ শিক্ষার্থীদের পতিতাবৃত্তি পেশা না নেশা!

জার্মানবাংলা২৪ রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময়: শনিবার, ২৮ জুলাই, ২০১৮
Check for details

ইদ্রিস আলম: পতিতা এবং পতিতাবৃত্তি। দুটোর সঙ্গেই কম বেশি আমরা সবাই পরিচিত। কিভাবে? সেটা আজকের এই অতি আধুনিক যুগে এসে কাউকে বুঝিয়ে বলার বা পাখিকে কথা শেখানোর মতো করে বলার কিছুই নেই।

একটা বাস্তব উদাহরণ দিচ্ছি, গত বর্ষার কোন একদিনের কথা। ব্যাচেলর মানুষ আমি। মফস্বল থেকে এসে, সবেমাত্র একটি প্রাইভেট ভার্সিটিতে বিবিএ স্টার্ট করেছি আর ছোটখাট একটা পার্টটাইম জব নিয়ে সময় কাটাচ্ছি। ভার্সিটির কয়েকজন বন্ধু মিলে ঢাকার উত্তরাতে একটা ফ্ল্যাট নিয়ে থাকি। কাজ, পড়াশোনার চাপে দম ফেলার সময়টুকু পাই না।

তাই, এক ছুটির দিনে সব বন্ধু মিলে ঠিক করলাম কাছে-পিঠে কোথাও একটু হাটা যাক। এতে শরীরের ক্লান্তি আর মনের অসান্তি দুটোই দূর হবে। যেই বলা সেই কাজ। সেদিন বিকালেই বেড়িয়ে পড়লাম এক গ্যাং তরুণ। উদ্দেশ্য এলাকাটা ঘুরে দেখা আর একটু রিফ্রেশমেন্ট।

অল্প কিছুক্ষণ হাটতেই চোখে পড়লো একদল তরুণী একটা বহুতল ভবনের গেটের সামনে জটলা পাকিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। জায়গাটা উত্তরার সেক্টর-৪ এ। প্রথমে কিছু মনে নাহলেও ধীরে ধীরে মনের মধ্যে সতর্কবার্তা বেজে উঠতে লাগলো। মনে হলো এ সেক্টরেই পতিতাদের আখড়া আছে শুনেছিলাম, এরা কি সেই দলেরই কেউ?

সাহস নিয়ে ব্যাপারটা পরিষ্কার হওয়ার উদ্দেশ্যে বাকী বন্ধুদের সামনে এগুতে বলে একাই গেলাম কথা বলতে। ‘এক্সকিউজ মি!’ বলে ডাকতেই একজন অপরুপা আমার দিকে ঘুরে তাকালো। অপরুপা বলার কারণ মেয়েটা আসলেই অপরুপ সুন্দরী, স্বর্গের অপ্সরা বললেও কম বলা হয়।

পরক্ষণেই খেয়াল করলাম, আরে! এই মেয়ে তো আমাদের ভার্সিটিতেই পড়ে। ইনফ্যাক্ট, আমরা একই ডিপার্টমেন্টের। নাম খুব সম্ভব মৌ, আমি সিওর না। ওকে দেখে মনে হলো ওর ও আমার মতোই অবস্থা। দেখে চিনে ফেলেছে আমাকে।

যাইহোক, নাম মৌ-ই। সিওর হয়ে কথা বলা শুরু করলাম। এই বাড়িটার ব্যাপারের জানতে চাইলে মেয়েটি বলে পরে বলবে।

আমিও রোমাঞ্চকর কোনও গল্পের নেশায় ওর ফোন নাম্বার নিয়ে আমার বাকী বন্ধুদের কাছে গেলাম। সেদিন আর বেশি ঘুরতে পারিনি, সন্ধ্যা হয়ে যাওয়ার কারণে। তাই, অল্প কিছুক্ষণের মধ্যেই বাসায় ফিরে এলাম।

সেইরাতে, খাওয়া-দাওয়া শেষ করে মৌ-কে ফোন দিলাম। হাই-হ্যালো করে আসল কাহিনীতে গেলাম। ও বললো পরেরদিন ভার্সিটিতে গিয়ে বলবে। আমিতো সেইরকম খুশী।

পরদিন নাচতে নাচতে ভার্সিটির দিকে গেলাম। সারাদিন ক্লাসও করলাম বাট, মাথায় কিচ্ছুই ঢুকলো নাহ। টেনশন একটাই রহস্যভেদ কখন হবে। ক্লাস শেষে মৌ-এর কাছে গেলাম। ও বললো সন্ধ্যা সাতটায় সেক্টর-৪ এর সেই বাড়ির সামনে দেখা করতে।

আমিও বাসায় ফিরে ফ্রেস হয়ে লাঞ্চ করে সাতটার আগেই পৌছে গেলাম। মৌ-কে ফোন দিলাম। একটু পর দেখলাম ও বাড়িটার ভেতর থেকে এলো। আর আমাকে ওর সাথে ভেতরে নিয়ে গেলো। লিফটে করে টপ ফ্লোরে নেমে ফ্ল্যাটের ভিতরে গেলাম।

ড্রয়িংরুমে দেখলাম মৌ-এর মতো আরও চারজন বসে সান্ধ্যকালীন টিফিন খাচ্ছে। সবার সাথে মৌ আমাকে ক্লাসমেট হিসেবে পরিচয় করিয়ে দিলো। আমিও ওদের সাথে চা-আলাপে শরিক হলাম। ঘন্টাখানেক আড্ডার পর মৌ আমাকে ডেকে একটা ঘরে নিয়ে দরজা বন্ধ করে দিলো।

এরপরই শুরু আমার রহস্যভেদ। পতিতাবৃত্তি সম্পর্কে আগেও অনেক শুনেছি। কিন্তু, বাস্তবে অভিজ্ঞতা কখনো হয়নি। তাই, নিজের মধ্যে কেমন যেন একটু নার্ভাস ফিল হচ্ছিলো।

যাইহোক, সেদিনই আমার প্রথম বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জন করলাম। মাঝের সময়টুকুতে মনে হচ্ছিলো আমি কোন স্বর্গে চলে এসেছি। মৌও আমার প্রশংসা করলো- আমি নাকি প্রথমবার হিসেবে ভালোই পারফর্ম করেছি।

এরপর থেকে এখন পর্যন্ত এভাবেই চলে আসছে। আমারও ধীরে ধীরে যোগ্যতা, অভিজ্ঞতার ভান্ডার সমৃদ্ধ হতে লাগলো। প্রথম প্রথম মৌ-কে দিয়ে শুরু করলেও পরবর্তীতে অর বাকী সংগীদের সাথেও আমি শারীরিকভাবে মিশতে শুরু করলাম।

এখনও চলছে আমার নতুন ভূবনের আনন্দভ্রমন।

এরমাঝে একদিন মৌয়ের সাথে প্ল্যান করে নিজে মেস ছেড়ে দিলাম। আর মৌয়ের সাথে আলাদা বাসায় উঠে নিজেদের স্বামী-স্ত্রী পরিচয় দিয়ে লিভ টুগেদার করতে লাগলাম। আর ধীরে ধীরে নিজেদের ব্যক্তিগত এবং পারিবারিক জীবন সম্পর্কে এক-অপরকে অনেক কিছু শেয়ার করলাম।

আমার মতো মফস্বলের মেয়ে না হলেও মৌ ঢাকার মেয়ে নয়। ওর জীবনের গল্পটা শরীরে শিহরণ জাগানোর মতো। ওর পুরো পরিবার থাকে উত্তরবঙ্গের একটি জেলায়। সেখান থেকে উচ্চশিক্ষার তাগিদে ঢাকায় এসে কিভাবে নিজেকে এই পেশায় নিয়ে এসেছে শুনে আমার সারা শরীর যেন কাঁটা দিয়ে উঠেছে।

যাইহোক, আজকে আর কিছু বলছি না। আমার গল্প নাহয় আর নাইবা বললাম। এরপর মৌয়ের পতিতাবৃত্তিতে আসার শিহরণ জাগানো সেই কথাগুলো বলবো সামনের কোনও একদিন…

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

ফেসবুকে জার্মানবাংলা২৪

বিজ্ঞাপন

Check for details