1. jashimsarkar@gmail.com : admin :
  2. adminmonir@germanbangla24.com : monir uzzaman : monir uzzaman
  3. fatama.ruma007@gmail.com : Fatama Rahman Ruma : Fatama Rahman
  4. anikbd@germanbangla24.com : SIDDIQUE ANIK : ANIK SIDDIQUE
  5. infi@germanbangla24.com : Hasan Imam Juwel : Hasan Imam Juwel
  6. rafid@germanbangla24.com : rafid :
  7. SaminRahman@germanbangla24.com : Samin Rahman : Samin Rahman
শিরোনাম :
জার্মানির মানহাইমে জমজমাট ঈদ পুনর্মিলনী ও গ্রিল পার্টি লেবাননে শাহ্জালাল প্রবাসী সংগঠনের দ্বশম বর্ষ পূর্তি উদযাপন ও সভাপতিকে বিদায়ী স্বংবর্ধনা করোনা টিকার প্রসঙ্গে ও করোনার তৃতীয় ঢেউ: মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া রাষ্ট্রদূত, জার্মানি বাংলাদেশ জার্মান জাতীয়তাবাদী কালচারাল অ্যাসোসিয়েশনের বনভোজন অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে সেপটি ট্যাংকের সেন্টারিং খুলতে গিয়ে নিহত ২ জামালপুরে ‘বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন’ এর মাক্স বিতরণ করোনা : সখীপুরে লকডাউন বিধিনিষেধ অমান্য করায় জরিমানা করোনা : সাতক্ষীরা পুলিশের মোটরসাইকেল র‌্যালি ও মাস্ক বিতরণ লেবানন বিএনপির সভাপতি বাবু, সম্পাদক আইমান, সাংগঠনিক হাবিব সখীপুরে ‘মুক্তিযুদ্ধের কবিতা’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন

উচিতপুর পর্যটন কেন্দ্রে পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড়

জার্মানবাংলা২৪ রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময়: রবিবার, ২৬ আগস্ট, ২০১৮
Check for details

তোফাজ্জল হোসেন, মদন (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি: ঈদুল আযহার ছুটিতে বিনোদনের জন্য হাওরাঞ্চলের একমাত্র পর্যটন কেন্দ্র নেত্রকোণা জেলার মদন উপজেলার উচিতপুর পর্যটন কেন্দ্রে জেলাসহ পাশ্ববর্তী বিভিন্ন জেলা থেকে নারী পুরুষ ও শিশু কিশোরদের ভিড় জমেছে উচিতপুর ঘাটে। পর্যটন সম্ভাবনার আকর্ষণীয় জনপথ নেত্রকোনার মদন উপজেলার উচিতপুর খোলা স্থানে পর্যটকদের পদচারণার চিত্র পাল্টে যাচ্ছে। প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে শতশত ভ্রমন পিপাসু লোকজনের পথচারণায় মুখরিত হয়ে উঠছে হাওরাঞ্চলের এ জনপথটি।

বিশেষ করে সরকার হাওরবাসীর জীবনমান উন্নয়নের লক্ষে হেমন্তকালীন যাতায়াতের ডুবন্ত রাস্তা ও ব্রিজ নির্মাণ করায় এ এলাকাটি প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যে মন্ডিত হয়ে উঠেছে। এখানে সমুদ্র বা দ্বীপ নেই। বর্ষার জলরাশি সমুদ্রের মতো বিশাল। বোরো ধানের মাঠ-ঘাট সব পানিতে একাকার। তার উপর ছোট ছোট দীপের মতো এক একটি গ্রাম। চার দিকে অতিথি পানি থৈ থৈ করছে। জলমগ্ন পথঘাঠ মাঠ প্রান্তর সবকিছু। অনেক নদী খাল বিল জলাশয় একাকার হয়ে বিশাল এ জলরাশি হাওর সায়রের দেশ ভাটির দেশ।

নিঃসঙ্গ হিজল করচের দেশ। ছয়মাস জলমগ্ন প্রায় জলবন্ধি। অতিথি পানি চলে গেলে ফের জেগে উঠে আশপাশ, নদী, খাল-বিল দিগন্ত বিস্তৃত সবুজ ফসলি মাঠ। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যে মন্ডিত এ অঞ্চলটিতে সরকার ডুবন্ত সড়ক ও সেতু নির্মাণ করায় পূবালী হাওয়ায় প্রাণটাকে শান্ত করার জন্য দূরদূরান্ত থেকে প্রতিদিন শতশত ভ্রমণ পিপাসু, শিশু, যুবক-যুবতি, বৃদ্ধ-বৃদ্ধা এখানে এসে হাওরের বৈচিত্র লীলাভূমিতে বিচরণ করে সাঁতার কাটে আর শিতল হাওয়া লাগায়। তবে সবার মুখে একটি কথাই এত সুন্দর ও আরাম প্রিয় জায়গা ভ্রমণ করা কার মনে না চায়। এখানে সরকারি ও বেসরকারিভাবে পর্যটকদের সেবা পাওয়ার কোন ব্যবস্থা না থাকায় আগত দূরদূরান্তের লোকজন সীমাহীন দূর্ভোগ পোহাচ্ছেন। সকলের দাবি সরকারিভাবে এই অঞ্চলে পর্যটকদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করলে সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব আয় করতে পারবে।

এ নিয়ে এলাকাবাসী গঠন করেছেন উচিতপুর পর্যটন সুরক্ষা পরিষদ। এ সংগঠনের সভাপতি অধ্যক্ষ মোঃ শামছুল ইসলাম তালুকদার। এই এলাকাটিতে সরকারিভাবে পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তুললে সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব আয় করতে পারবে, বিষয়টি সংশ্লিষ্ট বিভাগসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নজরে দেওয়ার জন্য তিনি সকলের সহযোগিতা কামনা করেন। এমন খবরের প্রেক্ষিতে শুক্রবার আমাদের এ প্রতিনিধি সরে জমিনে উচিতপুর ঘাটে গেলে প্রচুর দর্শনার্থী ও পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড় চোখে পড়ার মতো। এ সময় গাজীপুর জেলার কবি ইজাজ আহমেদ মিলন, তার সহধর্মীণি বিউটি আক্তার, বাংলা ভিশনের মামুন খান, যমুনা টিভির স্টাফ রির্পোটার কামাল হোসেন, নরসিংদীর আহমেদ আলী, ঘোরাশালের মরিয়ম বেগম, ভৈরবের আশিক মিয়া, মদন প্রেস ক্লাবের সভাপতি মোঃ আল আমীন তালুকদারসহ অনেকেই জানান, এ ঘাট দেখেত যে কাউকে বিমোহিত না হওয়ার উপায় নেই। হাওরের জল ও নৌকায় ঘুরাঘুরি যে কাউকে তার ভেতরটা বদলে দেবে। জলের মায়ায় নিজেকে ভেজাতে হবেই। হাওরটির সৌন্দর্য্য হৃদয়ে লেগে থাকার মতো। তবে দূরদূরান্তের লোকজনের সেবার কোন প্রকার সুযোগ-সুবিধা না থাকায় লোকজন চরম দূর্ভোগ পোহাচ্ছেন। সরকার এখানে পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তোলে বিপুল পরিমান রাজস্ব আয় করতে পারেন। এ ব্যাপারে তারা সংশ্লিষ্ট বিভাগের সুদৃষ্টি কামনা করছেন।

উচিতপুর পর্যটন সুরক্ষা পরিষদের সভাপতি, অধ্যক্ষ মোঃ শামছুল আলম তালুকদার জানান, আমরা স্ব-উদ্যোগেই পর্যটকদের সহযোগিতা করে যাচ্ছি। তবে বিপুল পরিমাণ লোকজনের সমাগম ঘটায় সেবা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সরে জমিনে পরিদর্শন করে অচিরেই এই এলাকায় পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তোলবেন বলে তিনি আশাবাদী।

ওসি মোঃ রমিজুল হক জানান, ঈদ উপলক্ষে এ অঞ্চলে দর্শাণার্থীদের উপচেপড়া ভিড়। পুলিশ সার্বক্ষণিক নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত রয়েছে। লোকজন পানিতে সতর্ক থাকার জন্য পুলিশ বিভাগের অর্থায়নে ঘাটে একটি সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে দেয়া হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ ওয়ালীউল হাসান বলেন, সম্ভাবনাময় পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তোলার লক্ষে আমরা নিয়মিত সভা করেছি। পুলিশ টহলের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবগত করা হয়েছে।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

ফেসবুকে জার্মানবাংলা২৪

বিজ্ঞাপন

Check for details