1. jashimsarkar@gmail.com : admin :
  2. adminmonir@germanbangla24.com : monir uzzaman : monir uzzaman
  3. fatama.ruma007@gmail.com : Fatama Rahman Ruma : Fatama Rahman
  4. anikbd@germanbangla24.com : SIDDIQUE ANIK : ANIK SIDDIQUE
  5. infi@germanbangla24.com : Hasan Imam Juwel : Hasan Imam Juwel
  6. rafid@germanbangla24.com : rafid :
  7. SaminRahman@germanbangla24.com : Samin Rahman : Samin Rahman
শিরোনাম :
জার্মানবাংলা’র ‘RJ মিউজিক্যাল লাইভ শো’তে এবার আসছে গানের দল “অন্তরীণ” হেসেন ফ্রাঙ্কফুর্ট আওয়ামীলীগ কর্তৃক বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উদযাপন অমর একুশে গ্রন্থমেলা ২০২২’ উপলক্ষ্যে ১১ দফা প্রস্তাব উত্থাপন জার্মানবাংলা’র “প্রবাসির সাফল্য” শো’র এবারের অতিথি কণ্ঠশিল্পী “শম্পা কুন্ডু” জার্মানবাংলা’র ‘মিউজিক্যাল লাইভ শো’র এবারের অতিথি কণ্ঠশিল্পী “সাজেদ ফাতেমী” স্বাধীনতার সূবর্ণ জয়ন্তী স্বরণ ও দেশনেত্রী’র দোয়ায় বিএনপি’র জার্মানি শাখা। জীবননগরে সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত ১ ব্রাসেলসে অল ইউরোপ বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের অভিষেক দুবাই ওয়ার্ল্ড এক্সপোতে অংশগ্রহণ করবে ওয়েন্ড-এর প্রতিনিধি দল গোধূলির ছায়া

ঈদ উপলক্ষে ব্যস্ততা বেড়েছে গোপালগঞ্জের কামার পল্লীর

জার্মানবাংলা২৪ রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময়: বৃহস্পতিবার, ১৬ আগস্ট, ২০১৮
Check for details

জার্মানবাংলা২৪, গোপালগঞ্জ: ঈদকে সামনে রেখে এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন গোপালগঞ্জের কামাররা। দিন যতই ঘনিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে তাদের ব্যস্ততা।
কুরবানির পশু কাটাকুটিতে চাই ধারালো দা, বটি, চাপাতি ও ছুরি। তাই কয়লার চুলায় দগদগে আগুনে গরম লোহার পিটাপিটিতে টুং টাং শব্দে মুখর হয়ে উঠেছে গোপালগঞ্জের কামার পল্লী। কাক ডাকা ভোর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত কাজ করে যাচ্ছেন তারা।

সরেজমিন জেলার বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে দেখা যায়, আসন্ন কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে অনেক ব্যস্ত সময় পার করছেন কামাররা। পশু জবাইয়ের সরঞ্জামাদি কিনতেও লোকজন ভিড় করছেন তাদের দোকানে। আগে যে সব দোকানে দুজন করে শ্রমিক কাজ করতো, এখন সে সব দোকানে ৫-৬ জন করে শ্রমিক কাজ করছেন।

এ ব্যাপারে গোপালগঞ্জ শহরের কাচা বাজরের কামার সত্য রঞ্জন দাশ বলেন, সারা বছর কাজ কম থাকে। কুরবানির ঈদ এলে আমাদের কাজ বেড়ে যায় কয়েক গুণ। ছুরি শান দেওয়ার জন্য ৫০ টাকা থেকে শুরু করে কাজের গুণাগুণের উপর ভিত্তি করে ১৫০ টাকা পর্যন্ত নেওয়া হচ্ছে।

এ বিষয়ে অপর কামার প্রভাস চন্দ্র দাশ বলেন, কুরবানির ঈদ উপলক্ষে আমাদের বেচা কেনা দ্বিগুণ বেড়ে গেছে। তবে ঈদের দুই দিন আগে থেকে রাত-দিন ২৪ ঘণ্টা বেচাকেনা হবে। তখন আমাদের খাওয়ার সময়ও থাকে না।

এ ব্যাপারে কামার আনন্দ বলেন, কুরবানির ঈদ উপলক্ষে কয়লা ও শ্রমিকের মূল্য বেড়ে গিয়েছে। দুই মাস আগেও প্রতি বস্তা কয়লার দাম ছিলো ৪০০থেকে ৪৫০ টাকা। সেই কয়লা এখন আমাদের ৮০০ থেকে ৮৫০ টাকায় কিনতে হচ্ছে। তাই আমরা চাপাতি, ছুরি ও দায়ের দাম একটু বেশি নিচ্ছি। তা না হলে আমাদের লাভ হবে না।
দোকানি বাদল মিয়া বলেন, ঈদকে সামনে রেখে কাজের চাপ বেশি। কাজের চাপে কখন খাওয়ার সময় চলে যাচ্ছে আমরা টেরও পাই না। চাপাতি বিক্রি হচ্ছে ৫০০ থেকে ২ হাজার টাকায়। ঈদ যতই ঘনিয়ে আসছে আমাদের বিক্রি তত বাড়ছে।

এ ব্যাপারে ক্রেতা আব্দুল হালিম বলেন, আমি একটি চাপাতি ৫০০ টাকা দিয়ে ক্রয় করেছি। এছাড়া আমাদের এলাকার ছুড়ি, দা, জবাই করা ছুরিসহ প্রায় ১৯টি জিনিস রিপেয়ারিং করার জন্য এসেছি। ঈদ উপলক্ষে কামাররা মজুরি অনেক বেশি নিচ্ছে।
অপর ক্রেতা শফিকুল ইসলাম বলেন, ঈদ ঘনিয়ে আসার সাথে সাথে কামাররা তাদের মজুরি, ছুরি, দা, চাপাতির দামও বাড়িয়ে দিয়েছে। আমি একটি চাপাতি ৭০০ টাকা এবং একটি ছুরি ২০০ টাকা দিয়ে ক্রয় করেছি। যা দুই মাস আগেও ছিল ছুরির দাম ১৫০ টাকা ও চাপাতির দাম ৫০০ টাকা।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

ফেসবুকে জার্মানবাংলা২৪

বিজ্ঞাপন

Check for details