1. jashimsarkar@gmail.com : admin :
  2. adminmonir@germanbangla24.com : monir uzzaman : monir uzzaman
  3. fatama.ruma007@gmail.com : Fatama Rahman Ruma : Fatama Rahman
  4. anikbd@germanbangla24.com : SIDDIQUE ANIK : ANIK SIDDIQUE
  5. infi@germanbangla24.com : Hasan Imam Juwel : Hasan Imam Juwel
  6. rafid@germanbangla24.com : rafid :
  7. SaminRahman@germanbangla24.com : Samin Rahman : Samin Rahman
শিরোনাম :
জার্মানির মানহাইমে জমজমাট ঈদ পুনর্মিলনী ও গ্রিল পার্টি লেবাননে শাহ্জালাল প্রবাসী সংগঠনের দ্বশম বর্ষ পূর্তি উদযাপন ও সভাপতিকে বিদায়ী স্বংবর্ধনা করোনা টিকার প্রসঙ্গে ও করোনার তৃতীয় ঢেউ: মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া রাষ্ট্রদূত, জার্মানি বাংলাদেশ জার্মান জাতীয়তাবাদী কালচারাল অ্যাসোসিয়েশনের বনভোজন অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে সেপটি ট্যাংকের সেন্টারিং খুলতে গিয়ে নিহত ২ জামালপুরে ‘বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন’ এর মাক্স বিতরণ করোনা : সখীপুরে লকডাউন বিধিনিষেধ অমান্য করায় জরিমানা করোনা : সাতক্ষীরা পুলিশের মোটরসাইকেল র‌্যালি ও মাস্ক বিতরণ লেবানন বিএনপির সভাপতি বাবু, সম্পাদক আইমান, সাংগঠনিক হাবিব সখীপুরে ‘মুক্তিযুদ্ধের কবিতা’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন

ই-পাসপোর্ট চালু করতে জার্মানির সঙ্গে বাংলাদেশের ৩৩০০ কোটি টাকার চুক্তি

জার্মানবাংলা২৪ রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময়: শুক্রবার, ২০ জুলাই, ২০১৮
Check for details

জার্মানবাংলা২৪ ডটকম: নাগরিকদের নিরাপত্তা জোরদার এবং ভুয়া পাসপোর্ট প্রতিরোধে দেশে ই-পাসপোর্ট (ইলেকট্রনিক পাসপোর্ট) চালুর বিষয়ে বাংলাদেশ ও জার্মানির মধ্যে ৩ হাজার ৩শ কোটি টাকার একটি চুক্তি সই হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৯ জুলাই) দুপুরে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্র (বিআইসিসি)তে ‘ই-পাসপোর্ট প্রবর্তন ও স্বয়ংক্রিয় বর্ডার কন্ট্রোল ব্যবস্থাপনা শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। জার্মান কোম্পানির সাথে চুক্তি সই করেছে বাংলাদেশের ইমিগ্রেশন অধিদফতর।

ফেলে সরকার অত্যাধুনিক প্রযুক্তি নির্ভর দেশের ৬৪ জেলায় ৩ কোটি ই-পাসপোর্ট সেন্টার নির্মাণ করতে উদ্যোগ নিয়েছে । বর্তমান বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশের পাসপোর্টের নিরাপত্তা সম্বলিত মোট ৩০ মিলিয়ন ই-পাসপোর্ট তৈরি করা হবে।

‘বাংলাদেশ ই-পাসপোর্ট ও স্বয়ংক্রিয় বর্ডার নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাপনা প্রবর্তন’ শীর্ষক প্রকল্পটি একনেক সভায় গত মাসে অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এ প্রকল্পটি জার্মানির ভেরিডোস কোম্পানির সহায়তায় বাস্তবায়ন করা হবে।

প্রকল্পটির জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে চার হাজার ৬৩৬ কোটি টাকা। এর মধ্যে জার্মান কোম্পানি ভেরিডোস জিএসবিএইচের সঙ্গে চুক্তির মূল্য ৩ হাজার ৩৩৮ কোটি টাকা। এটি সম্পূর্ণ সরকারি অর্থায়নে জুলাই ২০১৮ থেকে জুন ২০২৮ সালে বাস্তবায়ন করবে ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদফতর।

এসময় প্রধান অতিথি হিসেবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এবং বিশেষ অতিথি জার্মানির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নেইলস আনেন উপস্থিত ছিলেন। এ চুক্তির ফলে বিশ্বের ১১৯তম দেশ হিসেবে ই-পাসপোর্ট চালু করলো বাংলাদেশ।

বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে চুক্তিতে সই করেন পাসপোর্ট অধিদফতরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মাসুদ রেজওয়ান ও জার্মানির ভেরিডোস জিইউএমবিএইচ কোম্পানির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) কুন্স।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, এ বছরের ৩০ জুন এমআরপি (মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট) প্রকল্প শেষ হলেও আপাতত আবেদনকারীদের এমআরপি দেয়া হবে। আশা করি শিগগিরই ই-পাসপোর্ট কার্যক্রম শুরু করতে পারব।

সিইও কুন্স বলেন, আমরা ৫০টি দেশের ই-পাসপোর্ট করেছি। আমাদের নতুন করে বাংলাদেশের দায়িত্ব দেয়ায় আমরা তাদের কাছে কৃতজ্ঞ। এই পাসপোর্টে রঙিন ছবিসহ পলিকার্বনেটেড ডাটাপেইজ থাকবে, যা শুধুমাত্র পৃথিবীর ২টি দেশে রয়েছে।

জানা গেছে, জার্মান কোম্পানি ভেরিডোস ৩ কোটি ই-পাসপোর্টের বুকলেট দিবে বাংলাদেশকে। এ লক্ষ্যে ঢাকার উত্তরায় একটি এসেম্বলি কারখানা স্থাপন করা হবে। এ প্রকল্পের আওতায় ইমিগ্রেশন চেকপোস্টগুলো স্বয়ংক্রিয় বর্ডার কন্ট্রোল ব্যবস্থাপনায় (ই-গেইট) আওতায় আনা হবে। ইমিগ্রেশন চেকপোস্টগুলোয় ৫০টি ই-গেইট স্থাপন করা হবে। ভেরিফিকেশনে ব্যক্তির তথ্য সঠিক পাওয়া গেলে ই-গেইট স্বয়ংক্রিয়ভাবে খুলে যাবে। এই পদ্ধতিতে দেশের সীমান্ত নিরাপত্তা অধিক কার্যকরভাবে সংরক্ষণ করা সম্ভব হবে।

বাংলাদেশে ২০০৯ সাল পর্যন্ত হাতে লেখা পাসপোর্ট প্রচলিত ছিল। ২০১০ সালে ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদফতরে বাংলাদেশে মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট (এমআরপি) প্রদান শুরু হয়। এমআরপিতে ৩৮টি নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য থাকলেও এতে জালিয়াতির সুযোগ থেকে যায়। অভিবাসন প্রক্রিয়াকে আরও সহজ ও নিরাপদ করতে ই-পাসপোর্ট প্রবর্তন ও স্বয়ংক্রিয় বর্ডার কন্ট্রোল ব্যবস্থাপনা প্রকল্প গ্রহণ করা হয়।

ই-পাসপোর্ট হলো বায়োমেট্রিক পাসপোর্ট, যাতে একটি এমবেডেড ইলেক্ট্রনিক মাইক্রোপ্রসেসর চিপ থাকবে। এই মাইক্রোপ্রসেসর চিপে পাসপোর্টধারীর বায়োগ্রাফিক ও বায়োমেট্রিক (ছবি, ফিঙ্গারপ্রিন্ট ও আইরিশ) তথ্য সংরক্ষণ করা হবে, যাতে পাসপোর্টধারীর পরিচয়ের সত্যতা থাকে। ই-পাসপোর্ট চালু হলে জালিয়াতি করা কঠিন হবে।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

ফেসবুকে জার্মানবাংলা২৪

বিজ্ঞাপন

Check for details