1. jashimsarkar@gmail.com : admin :
  2. adminmonir@germanbangla24.com : monir uzzaman : monir uzzaman
  3. fatama.ruma007@gmail.com : Fatama Rahman Ruma : Fatama Rahman
  4. anikbd@germanbangla24.com : germanbangla24.com : germanbangla24.com
  5. infi@germanbangla24.com : Hasan Imam Juwel : Hasan Imam Juwel
  6. rafid@germanbangla24.com : rafid :
  7. SaminRahman@germanbangla24.com : Samin Rahman : Samin Rahman
শিরোনাম :
জার্মানবাংলা’র ‘মিউজিক্যাল লাইভ শো’র এবারের অতিথি কণ্ঠশিল্পী ”মঞ্জু সাহা” জার্মানবাংলা’র ”প্রবাসির সাফল্য” শো’র এবারের অতিথি ”মিনহাজ দীপন” জার্মানবাংলা’র ‘মিউজিক্যাল লাইভ শো’র এবারের অতিথি কণ্ঠশিল্পী ”ফারজাহান রহমান শাওন” বাগেরহাটে ৭ দিনব্যাপী বই মেলা শুরু জার্মানবাংলা’র ‘মিউজিক্যাল লাইভ শো’র এবারের অতিথি, বাচিকশিল্পী “জান্নাতুল ফেরদৌসী লিজা” টিকার দ্বিতীয় ডোজ ৮ সপ্তাহ পর : স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ১৪ ফেব্রুয়ারি, উপেক্ষিত ‘সুন্দরবন দিবস’ জীবননগর পৌর নির্বাচন : আচরণবিধি লঙ্ঘন ,৩ জনের সাজা জার্মানবাংলা’র ‘মিউজিক্যাল লাইভ শো’র এবারের অতিথি শিল্পী ”বিথী পান্ডে” বাগেরহাটে ওরিয়ন গ্রুপের বিরুদ্ধে গ্রাম্য সড়ক দখলের অভিযোগ

‘ইয়াবা ব্যবসা বন্ধের প্রতিশ্রুতি দিয়েও রক্ষা করেনি মিয়ানমার’

জার্মানবাংলা২৪ রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময়: সোমবার, ২৫ জুন, ২০১৮
Check for details

জার্মানবাংলাটুয়েন্টিফোর ডটকম: ইয়াবা ব্যবসা বন্ধের প্রতিশ্রুতি দিয়েও তা রক্ষা করেনি মিয়ানমার এমনটিই জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল। তিনি বলেন, ‘ইয়াবা ট্যাবলেট তৈরি, সরবরাহ ও এর ব্যবসা বাণিজ্য বন্ধের বিষয়ে বাংলাদেশকে দেওয়া কথা রাখেনি মিয়ানমার।’ সোমবার (২৫ জুন) সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘ইয়াবা বানায় মিয়ানমার। বাংলাদেশ বা ভারত কোথাও ইয়াবা তৈরি হয় না। মিয়ানমারের সঙ্গে বাংলাদেশের সীমান্ত শুধু টেকনাফ বা নাফ নদীই নয়। এর বাইরেও অনেক সীমান্ত দিয়ে নানাভাবে পাচার হয়ে ইয়াবা বাংলাদেশে প্রবেশ করছে। মিয়ানমারের ইয়াবা সাতক্ষীরা সীমান্ত দিয়েও বাংলাদেশে আসছে, সমুদ্রসীমা দিয়েও আসছে।’ তিনি বলেন, ‘মিয়ানমারের সীমান্তে ইয়াবার কারখানা রয়েছে। এই ইয়াবা পাচার বন্ধে আমি নিজে সে দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, সে দেশের প্রেসিডেন্টসহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলেছি। অনেক চুক্তিও করেছি। কিন্তু কোনও কথাই রাখেনি মিয়ানমার। তারা মুখে বলছে কাজ করবে। কিন্তু কোনও কাজই করেনি। ভারত কিন্তু বাংলাদেশের আবেদনে সাড়া দিয়ে অনেক সীমান্তে ফেনসিডিল কারখানা বন্ধ করেছে। এগুলো তো দৃষ্টান্ত।’

আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, ‘ইয়াবা বহনকারী শনাক্তে বান্দরবান ও নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে বিওপির (বর্ডার আউটপোস্ট) সংখ্যা বাড়িয়েছি। এছাড়া পুটখালীতে পরীক্ষামূলক ডিভাইস বসিয়েছি। সেই ডিভাইস ভালো কাজ করছে। যেসব সীমান্ত দিয়ে ইয়াবা আসছে, সেখানে এই ডিভাইস বসাবো। ইতোমধ্যেই নাফ নদীতে কোস্টগার্ডের টহল বাড়িয়েছি। এই মাদক সরবরাহ বন্ধে আমরা নোডাল এজেন্সিকে শক্তিশালী করছি। বিজিবিকে শক্তিশালী করছি। আমাদের মূল উদ্দেশ্য আমরা মাদক নিয়ন্ত্রণ করবো।’
সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে আরও উপস্থিত মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের মহাপরিচালক জামাল উদ্দিন আহমেদ।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

ফেসবুকে জার্মানবাংলা২৪

বিজ্ঞাপন

Check for details