1. jashimsarkar@gmail.com : admin :
  2. adminmonir@germanbangla24.com : monir uzzaman : monir uzzaman
  3. fatama.ruma007@gmail.com : Fatama Rahman Ruma : Fatama Rahman
  4. anikbd@germanbangla24.com : SIDDIQUE ANIK : ANIK SIDDIQUE
  5. infi@germanbangla24.com : Hasan Imam Juwel : Hasan Imam Juwel
  6. rafid@germanbangla24.com : rafid :
  7. SaminRahman@germanbangla24.com : Samin Rahman : Samin Rahman
শিরোনাম :
জার্মানির মানহাইমে জমজমাট ঈদ পুনর্মিলনী ও গ্রিল পার্টি লেবাননে শাহ্জালাল প্রবাসী সংগঠনের দ্বশম বর্ষ পূর্তি উদযাপন ও সভাপতিকে বিদায়ী স্বংবর্ধনা করোনা টিকার প্রসঙ্গে ও করোনার তৃতীয় ঢেউ: মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া রাষ্ট্রদূত, জার্মানি বাংলাদেশ জার্মান জাতীয়তাবাদী কালচারাল অ্যাসোসিয়েশনের বনভোজন অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে সেপটি ট্যাংকের সেন্টারিং খুলতে গিয়ে নিহত ২ জামালপুরে ‘বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন’ এর মাক্স বিতরণ করোনা : সখীপুরে লকডাউন বিধিনিষেধ অমান্য করায় জরিমানা করোনা : সাতক্ষীরা পুলিশের মোটরসাইকেল র‌্যালি ও মাস্ক বিতরণ লেবানন বিএনপির সভাপতি বাবু, সম্পাদক আইমান, সাংগঠনিক হাবিব সখীপুরে ‘মুক্তিযুদ্ধের কবিতা’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন

আমার বাপ আসলেও ভেতরে ঢুকতে দিবে না : পুলিশের এসআই

জার্মানবাংলা২৪ রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময়: বুধবার, ৪ জুলাই, ২০১৮
Check for details

মাদারীপুর প্রতিনিধি : সরবারহের সিডিউল কিনতে বাধা দিয়েছেন মাদারীপুর জোনের হাইওয়ে পুলিশ সুপার মো. জাহাঙ্গীর হোসেন অভিযোগ ঠিকাদারদের। রোববার একাধিক ঠিকাদার মালামাল সরবরাহের জন্য গত ১০ জুন পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিলেও পুলিশ সুপারের পছন্দের বাইরের কোনো ঠিকাদার হাইওয়ে পুলিশ অফিস থেকে সিডিউল কিনতে পারেনি। এমনকি অফিসে ঢুকতে পর্যন্ত দেয়া হয়নি। রোববার বিকেল ৫টা পর্যন্ত সিডিউল বিক্রির সময় ছিল। দুপুর ২টার দিকে ফরিদপুর প্রেসক্লাব থেকে সাংবাদিক সেখানে উপস্থিত হন। হাইওয়ে পুলিশ সদস্যরা সাংবাদিকদেরও অফিসে ঢুকতে দেননি। প্রায় এক ঘণ্টা অপেক্ষার পর সেখান থেকে সাংবাদিকেরা ফিরে আসেন।

দুপুর আড়াইটার দিকে সিডিউল কিনতে এসে মাহাবুব এন্টার প্রাইজের স্বত্বাধিকারী মো. তুহিন মিয়া জানান, গত বছর সকল মালামাল আমি সাপ্লাই দিয়েছি। কিন্তু এবার আমাকে অফিসের ঢুকতে দেয়া হয়নি। পত্রিকায় বিজ্ঞাপনের পর থেকে আমি অনেকবার এসেছি কিন্তু আমার কাছে সিডিউল বিক্রি করেনি। তারা তাদের পছন্দমত ঠিকাদারের কাছে সিডিউল বিক্রি করেছে। এছাড়া বারবার আসায় আমার মোটরসাইকেল আটক করে হয়রানী করেছে। গত তিন বছর এই অফিসে আমার যাতায়াত এতদিন কিছু না বললেও সিডিউল কিনতে চাওয়ায় আমার ড্রাইভিং লাইসেন্সের জরিমানা করেছে।

এছাড়াও সিডিউল কিনতে এসে ফেরত যাওয়া ঠিকাদার কাউছার আকন্দ ও সোহেল একই অভিযোগ করেন, বিকেল ৫টা পর্যন্ত সিডিউল কেনার জন্য করেও সিডিউল কিনতে দেয়া হয়নি। পুলিশ পাহাড়া বসানো হয়েছে। ভেতরে প্রবেশও করতে দিচ্ছে না সিডিউলও কিনতে দিচ্ছে না। জানি না ভেতরে ভেতরে এসপি কি করছেন।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক হাইওয়ে পুলিশের এসআই জানান, জানি না স্যারের কী হয়েছে। আমাকে শুধু বলেছে আমার বাপ আসলেও ভেতরে ঢুকতে দিবে না। ভেতরে যাইতে চাইলে স্যারের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করুন।সাংবাদিকদের অনুরোধে হাইওয়ে পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার সিরাজুল ইসলাম উপস্থিত সাংবাদিকদের জানান, সিডিউল বিক্রির ব্যাপারে আমি কিছু বলতে পারবো না। এই সবই এসপি স্যার নিজে দেখছেন। ভেতরে প্রবেশ বিষয়ে তিনি বলেন, এখন প্রবেশ করতে এসপি স্যারের নিষেধ রয়েছে।

এ দিকে হাইওয়ে পুলিশ সুপার মো. জাহাঙ্গীর হোসেনের সঙ্গে সাংবাদিকরা একাধিক যোগাযোগের চেষ্টা করলেও মোবাইল রিসিভ করেননি পুলিশ সুপার।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

ফেসবুকে জার্মানবাংলা২৪

বিজ্ঞাপন

Check for details