1. jashimsarkar@gmail.com : admin :
  2. fatama.ruma007@gmail.com : Fatama Rahman Ruma : Fatama Rahman Ruma
  3. anikbd@germanbangla24.com : Editor : Editor
  4. rafid@germanbangla24.com : rafid :
  5. SaminRahman@germanbangla24.com : Samin Rahman : Samin Rahman
শিরোনাম :
অনেকেই সঞ্চয় ভেঙে চলছে : ওবায়দুল কাদের জিয়ান ক্যাস্টিক্স ফ্রান্সের নতুন প্রধানমন্ত্রী নিরাপত্তা পরিস্থিতি দেখতে আচমকা লাদাখ সফরে নরেন্দ্র মোদী ‘ করোনার প্রভাব কমলেই টাইগারদের অনুশীলন শুরু হবে ’ মুগদা জেনারেল হাসপাতালে সাংবাদিকদের ওপর আনসার বাহিনীর হামলা করোনা : গত ২৪ ঘন্টায় নতুন শনাক্ত ৩১৪৪ , মৃত ৪২ প্রতারণার মাধ্যমে টাকা হাতিয়ে নেওয়া চক্রের তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে সিআইডি হয়রানির প্রতিবাদে অবস্থান কর্মসূচি পালন ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক চিকিৎসকদের বাংলাদেশে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ রেকর্ড ৩৬.০১৬ বিলিয়ন ডলার রাজাপুরে স্কুলের সম্পত্তি রক্ষায় মতামত সংগ্রহ ও গণস্বাক্ষর কর্মসূচি

অর্থমন্ত্রীর যা অর্জন এবং বর্জন

জার্মানবাংলা২৪ রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময়: শুক্রবার, ১৪ জুন, ২০১৯
অর্থমন্ত্রী
Check for details

জার্মান-বাংলা ডেস্ক:
বাজেট পেশে সবচেয়ে এগিয়ে আছেন সিলেটিরা। সায়ফুর রহমান , শাহ এ এস এম কিবরিয়া এবং আবুল মাল আব্দুল মুহিত। এবারই প্রথম একজন সিলেটের বাইরের লোক বাজেট উত্থাপন করলেন মহান জাতীয় সংসদে। তিনি নিজে একজন সি এ। সায়ফুর রহমান ছিলেন সিএ। তবে প্রর্থক্য হচ্ছে এরা সবাই মহান সংসদে প্রস্তাবিতবাজেটের সম্পূর্ণ পড়তে সক্ষম হন। কিন্তু বর্তমান অর্থমন্ত্রী তা পূর্ণ করতে পারেননি। অর্থমন্ত্রীর যায়গায় বাকীটুকু উপস্থাপন করেন সংসদ নেতা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
জাতীয় সংসদে ২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট বিষয়ে তিনজন ব্যবসায়ী ও একজন অর্থনীতিবিদের কাছে জানতে চাওয়া হয়। জার্মান বাংলা পাঠকদের জন্য তা তুলে ধরা হলো।
১. বাজেটের ভালো দিক কোনগুলো? দুর্বলতা কী?
২. সামগ্রিক বিচারে ১০-এর মধ্যে আপনি কত নম্বর দেবেন?

সায়মা হক
অধ্যাপক, অর্থনীতি বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য ১০০ কোটি টাকার তহবিল রাখার সিদ্ধান্তটি সময়োপযোগী। সর্বজনীন পেনশনের চিন্তাভাবনাটাও ভালো। প্রবাসীদের অর্থ পাঠানোর ওপর প্রণোদনা দেওয়া হয়েছে। এটি করা দরকার ছিল। যদিও সাবেক অর্থমন্ত্রী বিষয়টি বলেছিলেন। শিক্ষা খাতে আগের চেয়ে বরাদ্দ কিছুটা বেড়েছে। তবে আমাদের বিভিন্ন উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের হিসাব করলে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সামাজিক নিরাপত্তায় বরাদ্দ এখনো অপ্রতুল। অন্যদিকে কর আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা উচ্চাভিলাষী।

সৈয়দ মাহবুবুর রহমান
চেয়ারম্যান, অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশ
বাজেটে ব্যাংক খাতের সংস্কার নিয়ে অনেক কথা বলা হয়েছে, এটা ভালো। সুদহার, মূলধন বাড়ানোসহ নানা ঘোষণা আছে। তবে কবে নাগাদ এসব সংস্কার শুরু হবে, কীভাবে হবে, তার উল্লেখ নেই। কর আহরণে নতুন কোনো কৌশল নেই। আবার ঘাটতি মেটাতে ব্যাংকব্যবস্থা থেকে ঋণের লক্ষ্য বাড়ানো হয়েছে, এতে চাপ বেড়ে যাবে। ভেঞ্চার ক্যাপিটাল, তরুণদের জন্য আলাদা তহবিল, পেনশন ফান্ড, বেসরকারি চাকরিজীবীদের জন্য পেনশনের কথা বলা হয়েছে। যেটা দেশের জন্য খুবই প্রয়োজন।

ফজলুল হক
সাবেক সভাপতি, বিকেএমইএ
বাজেটে ব্যাংক খাতের সংস্কারের কথা বলা হয়েছে। এটি ভালো উদ্যোগ। প্রবাসীদের পাঠানো অর্থের ওপর ২ শতাংশ প্রণোদনা দেওয়াটা জরুরি ছিল। এতে করে বৈধ পথে রেমিট্যান্স আসার হার বাড়বে। ব্যাংক খাত থেকে ৪৭ হাজার ৩৬৪ কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী। ব্যাংকের তারল্যসংকটের মধ্যে এত টাকা ঋণ নিলে বেসরকারি বিনিয়োগকারীরা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। বেসরকারি বিনিয়োগ অনেক দিন ধরেই শ্লথ। এটিকে ত্বরান্বিত করতে বাজেটে কোনো উদ্যোগ দেখা যায়নি।

শাকিল রিজভী
সভাপতি, ডিএসই ব্রোকারস অ্যাসোসিয়েশন
বাজেটে শেয়ারবাজারের প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এটি বাজারের জন্য খুবই ভালো। এ ছাড়া সঞ্চয়পত্রের মুনাফার ওপর উৎসে কর বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। তবে এ ক্ষেত্রে বয়স্ক ও নারীদের ছাড় দেওয়া হলে ভালো হতো। কেবল কর্মক্ষম ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে উৎসে কর বাড়ানো হলে ভালো। অন্যদিকে কালোটাকা ফ্ল্যাট, জমি ও শিল্পে বিনিয়োগের সুবিধা দেওয়া হয়েছে। ফ্ল্যাট ও জমি যেহেতু উৎপাদন খাত নয়, সেহেতু সেখানে সুবিধাটি না দিয়ে শেয়ারবাজারে দিলে খুব ভালো হতো।

মালিহা কাদির
ব্যবস্থাপনা পরিচালক, সহজ ডট কম
বাংলাদেশের এখন যা দরকার, বাজেটে তা-ই প্রস্তাব করা হয়েছে। ব্যাংকিং খাতের সংস্কার, ঋণখেলাপিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা, শিক্ষকদের জন্য বিদেশ থেকে প্রশিক্ষক নিয়ে আসা, ১০০ কোটি টাকার স্টার্টআপ তহবিল ও ডিজিটাল বাংলাদেশ নির্মাণে আইসিটি পার্ক, প্রশিক্ষণ ও কর ছাড়—এসব ইতিবাচক। অন্যদিকে মোবাইল ফোনে কথা বলার খরচ ও স্মার্টফোনের দাম বাড়ানো ঠিক হয়নি। প্রযুক্তিভিত্তিক খাতের জন্য এটি সুখবর নয়। বোঝা যায়, সরকার দ্রুত রাজস্ব বাড়াতে এসব প্রস্তাব দিয়েছে।

মো. শাহরিয়ার জাহান
পরিচালক, চট্টগ্রাম চেম্বার
প্রস্তাবিত বাজেট ব্যবসা-বাণিজ্য সহায়ক ও বিনিয়োগবান্ধব। বাজেটে যোগাযোগ, বিদ্যুৎসহ অবকাঠামো খাতে বরাদ্দ বাড়ানোর কারণে বিনিয়োগ বাড়বে। পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের সুবিধা বাড়ানোর বিষয়টি ইতিবাচক। বৈদেশিক বাণিজ্যের পণ্য পরিবহনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বে-টার্মিনাল নির্মাণ ব্যবসায়ীদের দীর্ঘদিনের দাবির প্রতিফলন। বেশির ভাগ পণ্যে মূসকের হার ৫ শতাংশ নির্ধারণ করা ভালো হয়েছে। তবে বাজেটে করমুক্ত আয়ের সীমা বাড়ানো দরকার ছিল।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

ফেসবুকে জার্মানবাংলা২৪

বিজ্ঞাপন

Check for details